শিক্ষানুরাগী দানবীর ব্যক্তিত্ব স্বর্গীয় বাবু অমর চন্দ্র ভট্টাচার্য্যের একক প্রচেষ্ঠায় ১৯১৩ সালে বিদ্যাকুট অমর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠানটি ১৯১৩ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অস্থায়ী স্বীকৃতি লাভ করেন এবং পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্বায়ী স্বীকৃতি লাভ করে। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ১৫টি শাখায় ০৩টি একাডেমিক বির্ল্ডিং এ বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ১২00+ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছেন। এখানে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর দক্ষ ও অভিজ্ঞ ১৭ জন এমপিওভূক্ত এবং ০৮ জন নন-এমপিওভূক্ত শিক্ষক কর্মরত রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে লাইব্রেরী শিক্ষক কর্তৃক পরিচালিত সমৃদ্ধ লাইব্রেরী, বিজ্ঞানাগার, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও আইসিটি ল্যাব বিদ্যমান আছে। সাম্প্রতিক বোর্ড পরীক্ষার ফলাফলে এ প্লাস প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করে যাওয়া শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলসহ দেশখ্যাত উচ্চতর বিদ্যাপীঠে পাশ করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ও হচ্ছে। বর্তমানে অত্র প্রতিষ্ঠানটিতে দক্ষ পরিচালনা পর্ষদ কার্যকর রয়েছে। নিয়মিত শিক্ষাক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহন করে শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা, আদর্শ, পরমতসহিষ্ণুতা ও সহবত শেখার পরিবেশ পাচ্ছে। তাছাড়া অত্র প্রতিষ্ঠানটি ক্রীড়া ক্ষেত্রে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে অনন্য স্বাক্ষর রাখছে।
পরিশেষে বলা যায়, শিক্ষা বঞ্চিত, দারিদ্রপীড়িত স্বল্প আয়ের মানুষের সন্তানদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বর্গীয় বাবু অমর চন্দ্র ভট্টাচার্য্য অত্র এলাকায় যে আলোক বর্তিকা জ্বালিয়েছিলেন তা আজ সারা বাংলাদেশের মধ্যে একটি অন্যতম শিক্ষা নিকেতন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছে।